Monday, February 14, 2011

digitalization problem

আমি বিগত ৫ বছর যাবত দেশের প্রথম সারির একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর আইটিতে কাজ করছি। আমি সেখানে মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপ করার জন্য রিক্রুট হই। সেখানে কাজ করার সময় আমার বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়। আমি খুব গভীর ভাবে অনুধাবন করি টেকনিক্যাল আর নন-টেকনিক্যাল প্রফেশনালদের মাঝের দন্দ। দেখি কিভাবে আমরা ডিজিটালাইজেশন থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। আরও দেখি কিভাবে আমাদেরকে দমিয়ে রাখা হয়। এসমস্যার সমাধান নিয়ে অনেকবার চিন্তা করেও কোন ফলাফল পাইনি। আজ তার কিছু শেয়ার করার জন্য লেখা।

ভীতি:
সব সময়ই আমরা দেখে আসছি আমাদের মেশিন ভীতি। আমরা খুব সহজেই যন্ত্রকে আপন করে নিতে শিখিনি। আজও আমরা একটা নতুন মোবাইল সেট কিনলে তা ‍operate করতে প্রথম প্রথম খুব ভয় পাই। খুব দেখে শুনে চালাই। এর পিছনে খুব সম্ভতত আমাদের অর্থনৈতিক ব্যাপারটা জড়িত। কেননা আমরা আমাদের জমানো টাকা দিয়েই পছন্দের সেটটা কিনে থাকি। এটা নষ্ট হলে পরে আর একটার জন্য কয়েকমাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এই ভীতটা আমি আমার computer operator দের মাঝেও দেখেছি। তারা operate করতে খুব ভয় পেত যদি নষ্ট হয়ে যায়। তার সহকারীরাও বারবার তাকে বলত না শিখে computer এ হাত দিওনা। তাহলে তুমি না বুঝে এটা ওটা টিপে সব নষ্ট করে ফেলবে। computer নষ্ট হলে এর দাম তোমাদের বেতন থেকে কেটে নেওয়া হবে।
এখন আমার প্রশ্ন হলো যদি তারা computer না ধরে তাহলে শিখবে কিভাবে? তারাও আমার কাছে অভিযোগ করতো বসেরা নাকি তাদেরকে computer ধরতে নিষেধ করে। আমি সবার সাথে বারবার আলাপ আলোচনা করে শেষ পর্যন্ত operate করতে দিতে রাজি করিয়েছিলাম। যার ফল আজ আমার কোম্পানী পাচ্ছে। আমার ব্রাঞ্চ অফিসগুলো এখন আরও computer চাচ্ছে।

এরপর আসে চাকুরি হারানোর ভয়। তাদের ধারনা ছিল computer বুঝি তাদের জায়গা দখল করবে। computerized হলে পরে কোম্পানী লোক ছাটাই করবে। বেকারত্বের ভয়ে অনেকেই আমাকে ঠিকমত সহযোগিতা করেনি। বারবার management কে বুঝাতে চেয়েছিল computerized করা সম্ভব নয়। আমার ভাগ্য ভালো যে আমার Managing Director একজন দক্ষ ব্যক্তি। তাদের এই ভুল ভাঙ্গিয়ে অগ্রসর হতে আমাকে কতটা যাতনা পোহাতে হয়েছিল তা ব্যক্ত করার ভাষা আমার নেই।

অপর্যাপ্ত তথ্য:
আমি আগেই বলেছি আমি software development এর জন্য রিক্রুট হই। আপনারা জানেন সফটওয়্যার তৈরী করার জন্য সমস্ত তথ্য (working procedures, input, output etc.) সরবরাহ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট department এর সাথে বারবার আলোচনার পরও তারা কখনও আমাকে সঠিক বা সম্পূর্ণ তথ্য দিতন‍া। কাজ শেষ করে এনে যখন তাদেরকে test করার জন্য দিতাম তারপর বলত তাদের আরও কিছু বেশী তথ্য দরকার। কখনো বছরখানেক পর বলতো আরও দুই একটা তথ্য input দেওয়া দরকার। আপনারা যারা development এর সাথে জড়িত তারা আশা করি অনুধাবন করতে পারছেন এর hassleটা কি বা কত?

অহমিকা:
এই ‍আমিত্ব আমাদেরকে যে কতটা পিছনে ফেলে রেখেছে তা আমরা ‍first world এর দিকে তাকালেই বুঝতে পাই। আমাকে আমার দায়িত্ব পালন করার জন্য যখন কোন department in-charge এর কাছে যেতে হয়েছে, উনি আমাকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য উনার দুই-একজন সহকারিকে assign করে দিতেন। দেখা গেছে তাদের মধ্যে থেকে একজন আমাকে কোন প্রকার সহযোগিতা করছে না। বারবার অনুরোধ করার পরও কোন প্রকার সহযোগিতার হাত প্রসারিত করছেনা। অথবা ‍আপর্যাপ্ত তথ্য দিচ্ছে। একটু অনুসন্ধান করার পর দেখা গেল department এর 2nd person তাকে নিষেধ করেছে। কারন, আমাকে তথ্যের জন্য আগে তার কছে অনুরোধ করতে হবে পরে তিনি নির্দেশ দেবার পর আমি তথ্য পাব।

দক্ষতা:
আমি কোম্পানীতে যোগ দেবার আগে সেখানে আর একজন অফিসার ছিল। যে পুরো ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বে ছিল। আমি আশ্চর্য হলাম যখন জানলাম সে operating system install করতে পারেনা। আরও অবাক হই যখন তার সাথে কথা বলে বুঝলাম আসলে computer সম্পর্কে তার কোন ধারনাই নেই। সে শুধু MS Office এ ভাল কাজ করতে পারে। আমি নিয়ে department এ আমরা দুইজন মাত্র।

অনাভিজ্ঞতা:
আমাকে প্রায় সময়ই আমার উর্ধতন কর্মকর্তা ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কাজ করতে অনুরোধ করতেন। যখনই সময়ের ব্যাপার আসতো তাদের বক্তব্য হতো computerএ তো বোতাম চাপলেই হয়ে যায় তাহলে আপনার এত সময় কেন লাগবে। আপনি না পারলে বলেন আমরা অন্য কোনভাবে চেষ্টা করি। এই কোন ভাবে চেষ্টাটা যে কি তা আজও আমার জানা হলোনা।

আরও কয়েকটা কাজ আমাদের উপর ন্যস্ত ছিল। সেগুলো হলো মেইল করা, স্ক্যান করা, বিভিন্ন document word-এ compose করা। আজও আমাদেরকে অনেক কাগজ স্ক্যান করে দিতে হয়। এর কারন এ নয় যে তারা পারেনা, তারা করবে না। কারন, computer related সব কাজ নাকি আমাদের দায়িত্ব।

আজও আমাদেরকে একটা অতি গুরুত্বপূর্ন মেইল পাঠানোর জন্য তলব করা হয়, যেখানে প্রায় সবারই internet connection আছে। তারা ‍facebook অথবা dse web site ব্যবহার করার জন্য কখনও তলব করেনি।

অসহযোগিতা:
যখনই software ‍এ কোন ছোটখাট কোন ত্রুটি দেখা দিত তখন প্রায়ই আমি লক্ষ্য করেছি department এর লোকজন দল নিয়ে একদম উপর মহলে হাজির হতো্ । বিষয় software দিয়ে কিছুই হয়না। যদি এরকম ভুল হয় তাহলে তারা কাজ করবে কিভাবে। এর থেকেতো তাদের আগের (manual) পদ্ধতিই ভালো ছিল। বেশিরভাগ সময় দেখা যেত তাদের input অথবা selection ভুল। হয়তবা অনেক সময় দেখা যেত আমরা বিপোর্টং করেছি একভাবে কিন্তু government চাচ্ছে আর এক format এ, হয়তবা দু’একটা field add (report) করলেই হয়, তখনও শুনতে হত আমাদের এই সফটওয়্যার দিয়ে এসব করা যায়না, আমাদেরকে manual –এ কাজটা করে দিতে হবে।

কখনও দেখা গেছে আমি একটা module develop করে তাদেরকে দিয়েছি test করে দেবার জন্য, বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে তারা তা থেকে বিরত থাকত। যখন তারা সেই module ব্যবহার করতে বাধ্য হত তখন আবার সেই নালিশ। এসব করা যায়না। আবার আলোচনা। শেষ পর্যন্ত তাদের স্বিকারউক্তি তারা তাদের ব্যস্ততার জন্য test করার সময় পায়নি।

আবার কখনও লক্ষ্য করেছি তাদেরকে আমি একটা module এর operation শিখিয়েছি এবং তাদের দিয়ে সম্পূর্ন process টা খাতায় বা কাগজে লিখিয়েছি কিন্তু তারা তাদের বয়স বা অন্য কোন কারনে তা মনে রাখতে পারছেনা সেখানে আমাকে গুনতে হয়েছে বঞ্চনা। আমরা নাকি তাদেরকে দেখাইনি বা শিখাইনি।

আমি Chittagong zone এ এই কয়েকদিনে ৩ জনকে appointment দেয়েছি। কিন্তু তারা একজন ও টিকলোনা। সমস্যা একটাই সেখানকার In-charge এর এক relative তার প্রতিটি কাজে বাগরা দেয়, প্রতিটি বিলে হস্তক্ষেপ করে। তার বক্তব হচ্ছে তাকে জিজ্ঞাস করে সব কাজ করতে হবে। তার অনুমতি না নিয়ে কোন কাজ করতে পারবেনা অথবা তাকে জিজ্ঞাস না করে কোন branch এ যেতে পারবেনা। এই ব্যাপার নিয়ে management এর সাথে আলাপ করেও কোন ফল পাইনি।


শিক্ষা ব্যবস্থা:
আমাকে আমার department এ কিছু লোক নিয়োগ করতে হয়েছে। তখন আমার আরও একটা বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে। ভাল result করা কিছ‍ু ছাত্রের cv পেয়ে interview এর জন্য call করেছিলাম। তাদের সাথে কথা বলে দেখলাম তারা সবাই সব জানে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তারা basic জানেনা। প্রায় সবাইকে প্রশ্ন করেছিলাম visual basic object oriented কিনা? একজনও এর সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। যারা java নিয়ে খুব মাতামাতি করেছিল তাদের প্রশ্ন করেছিলাম abstract class কি? Abstract class আর interface এর মধ্যে পার্থক্য কি? অথবা java তে multiple inheritance কিভাবে করতে হয়?


এত প্রতিবন্ধকতার মাঝেও আল্লার রাহমেত আজ আমার কম্পানিতে প্রায় ২০০ টার মত computer। ঢাকার সবগুলো branch intranet এর মাধ্যমে connected। পুরো অফিসের প্রায় ৭০% কাজ computerized। যদি আমরা আরও একটু সহোযোগিতা পেতাম তবে হয়তো আরও আগেই computerized করে ফেলতে পারতাম। আমাদের কি এই সমস্যার কোন সমাধান হবেনা?

Valentine day

আজ বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এই দিনটিতে প্রেমিক প্রেমিকা একজন আর একজনকে ভালবাসা প্রদর্শন করে। কি মজার ব্যাপার। ভালবাসাও দোকানের অন্যন্য মালের মতো প্রদর্শন করতে হয়।
অনেক মনিষী, লেখক, সাহিত্যিক ভালবাসার বিভিন্ন সংগা দিয়েছেন। দিয়েছেন স্ব স্ব উক্তি। কিন্তু কেউই আজ পর্যন্ত সর্বজন স্বিকৃত কোন সংগা দিতে পারেনি। ব্যাপারটা বিদঘুটে বা জটিল বলে হয়ত তারা দিতে পারেনি বা দেয়নি।
তবে আমার কাছে ভালবাসা একটা সূক্ষ অনুভূতির ব্যাপার্। যে ব্যক্তি বা বস্তুর সংস্পর্শে আসলে পরে কিছু সুখকর অনুভূতি হয় আমরা ধরে নেই তাকে বা সেই বস্তুকে আমরা ভালবাসি। কিন্তু যখন সেই একই ব্যক্তি বা বস্তুর সংস্পর্শে এসে আমাদের কোন খারাপ বা বাজে অনুভূতি হয় তখন নিজের উপর ঘেন্না হয় ছি! আমি এটাকে বা কাকে ভালবাসি (ক্ষেএ বিশেষে)। একই ব্যক্তি বা বস্তুর উপর পরষ্পর বিরোধী অনুভূতি। জটিল ব্যপার। মাথা নষ্টকর। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে দেখা যাবে, যখনই কোন কাজ আমাদের পছন্দের বাইরে চলে যায় তখনই আমাদের ভালবাসা কপুরের মতো উড়ে যায়। তাইতো কোন এক কবি বলেছেন “অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।”
আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই দেখতে পাই, রোমিয়-জুলিয়েট, লায়লা-মজনু, শিরি-ফরহাদ, ইউসুফ-জুলেখা এবং আরও অন্যান্য। তাদের প্রেম অমর হয়ে আছে এবং থাকবেও। তারা প্রেমের জন্য কিনা করেছে? কেউ রাজত্ব, যশ, খ্যাতি সবই জলাঞ্জলি দিয়েছে। আর আমরা যান্ত্রিক যুগে কি নিয়ে ভালবাসার দোহাই দেই? পান থেকে চুন খসলেই জামা-কাপড়ের মত প্রেমিক বা প্রেমিকা পরিবর্তন। অথবা অযথা তর্ক।
তবে আজকাল প্রেমটা খুব সস্তা হয়ে গেছে। মোবাইলের মাধ্যমে এস,এম,এস। ইন্টারেটের মাধ্যমে ই-মেইল, ফেসবুক, চ্যাটিং কত সহজ প্রেম করাটা। হাত বাড়ালেই বন্ধু। তাই এখন আর প্রেম কাছে টানেনা, উত্তেজিত করে। প্রেম সুক্ষ থেকে সুক্ষতর অনুভূতিকে অনুভব করেনা, বাতাসে ফানুস উড়ায়। সায়ান্ন বেলায় রংয়ে রংগিন আকাশ আর প্রেমিক প্রেমিকাকে মুগ্ধ করেনা। মুগ্ধ করেনা গাংচিলের নীল আকাশে দিগন্তে উড়ে চলা, ভ্রমরের গুঞ্জন, বৃষ্টির রিমিঝিম শব্দ, হাসনাহেনার মাদকতা, চন্দ্রিমা রাতে কাশ বনের স্নিগ্ধতা, আমাবশ্যার আকাশ জুড়ে তারার মেলা, ঐ দূর দিগন্তে আকাশ আর মাটির মিশে যাওয়া। মুগ্ধ করেনা প্রিয়ার চুল, চোখ, মুগ্ধ করে ঠোঁট।
আজকাল প্রেম মানে সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখা, ফাস্ট ফুডে বার্গার বা চিকেন ফ্রাই খাওয়া, মোবাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা প্যাচাল পাড়া, বিশেষ দিনগুলোতে দামি দামি গিফট করা। তাতে নেই কোন আত্মার বন্ধন, নেই কোন আত্ম অনুভূতির প্রতিফলন। যেন টাইম পাসের একটা গেইম। আছে শুধু কিছু নষ্টামী আর ভন্ডামী। সবই যেন তপ্ত মরুভূমিতে মরিচিকা।
কোন এক মরমী গায়ক গেয়েছেন যে জন প্রেম জানে না তার সাথে নাই লেনা-দেনা, আসল সোনা ছাড়িয়া যে নেয় নকল সোনা সে জন সোনা চিনেনা। আসলেই প্রেম করতে হলে করতে হবে সবকিছু বিসর্জন দিয়ে, নিজের স্বত্তাকে জলাঞ্জলি দিয়ে। ভালবাসতে হবে নিজেকে উজাড় করে। রাম যেমন সীতার অগ্নি পরীক্ষা নিয়ে সীতাকে হারিয়েছে তেমনি ভালবাসার পরীক্ষা নিয়ে ভালবাসা হারালে চলবেনা। ভালবাসতে হবে নিজের সমস্ত বিশ্বাস দিয়ে, অনুভূতি দিয়ে, অন্তরের অন্তস্থল দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে নয়। ভালবাসা প্রদর্শনের জন্য নয়, অনুভবের জন্য। ভালবাসার কোন নিদর্শন এর প্রয়োজন নেই। মা সন্তানকে ভালবাসে এর নিদর্শন বা প্রদর্শন প্রয়োজন হয়না আপনা আপনি প্রতিফলিত হয়। তেমনি সত্যিকারের ভালবাসা তোমার আমার কাজে প্রতিফলিত হবে তার জন্য কোন উৎসব বা উপলক্ষ্যের প্রয়োজন নেই। সবশেষে বলতে পারি নি:শেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নেই ওরে ক্ষয় নেই তার।
১৪/০২/২০১১

Sunday, November 7, 2010

(সুরা ইউসুফ : ৩৬-৪৯) : স্বপ্নের ব্যাখ্যা বলে দেয়ার গল্প এবং কারাগারে দাওয়াত দানের পদ্ধতি ও কৌশল

৩৬) কারাগারে ৩১ তার সাথে আরো দু’টি ভৃত্যও প্রবেশ করলো৷ ৩২ একদিন তাদের একজন তাকে বললো, “আমি স্বপ্নে দেখেছি আমি মদ তৈরী করছি৷” অন্যজন বললো, “আমি দেখলাম আমার মাথায় রুটি রাখা আছে এবং পাখিরা তা খাচ্ছে৷” তারা উভয়ে বললো, “আমাদের এর তা’বীর বলে দিন৷ আমরা আপনাকে সৎকর্মশীল হিসেবে পেয়েছি৷” ৩৩

*৩১. হযরত ইউসুফকে যখন কারাগারে পাঠানো হয়েছিল তখন সম্ভবত তাঁর বয়স বিশ একুশ বছরের বেশী ছিল না৷ তালমূদে বলা হয়েছে, কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে যখন তিনি মিসরের শাসনকর্তা হন তখন তাঁর বয়স ছিল তিরিশ বছর৷ এদিকে কুরআন বলছে, কারাগারে তিনি (আরবী) অর্থাৎ কয়েক বছর কাটান৷ (আরবী) শব্দটি আরবী ভাষায় ১০ পর্যন্ত সংখ্যার জন্য বলা হয়ে থাকে৷

*৩২. হযরত ইউসুফের সাথে এই যে দু'জন গোলাম কারাগারে প্রবেশ করেছিল তাদের সম্পর্কে বাইবেলের বর্ণনা হচ্ছে, তাদের একজন ছিল মিসরের বাদশাহর মদ পরিবেশকদের সরদার এবং দ্বিতীয়জন রাজকীয় রুটি প্রস্তুকারকদের অফিসার৷ তালমূদের বর্ণনা মতে, মিসরের বাদশাহ তাদের এ অপরাধে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন যে, একবার এক দাওয়াতের মজলিসে পরিবেশিত রুটি একটু বিস্বাদ লেগেছিল৷ এবং একটি মদের পাত্রে পাওয়া গিয়েছিল মাছি৷

*৩৩. কারাগারে হযরত ইউসুফকে কোন দৃষ্টিতে দেখা হতো এ থেকে তা আন্দাজ করা যেতে পারে৷ ওপরে যেসব ঘটনার কথা আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো সামনে রাখলে ব্যাপারটা আর মোটেই বিস্ময়কর মনে হয় না যে, এ কয়েদী দু'জন হযরত ইউসুফের কাছেই-বা এসে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলো কেন এবং তাঁকে "আমরা আপনাকে সদাচারী হিসেবে পেয়েছি" বলে শ্রদ্ধার্ঘ পেশ করলো কেন৷ জেলখানার ভেতরে বাইরে সবাই জানতো, এ ব্যক্তি কোন অপরাধী নয়, বরং একজন হুকুম মেনে চলার প্রমাণ পেশ করেছেন৷ আজ সারাদেশে তাঁর চেয়ে বেশী সৎব্যক্তি আর কেউ নেই৷ এমনকি দেশের ধর্মীয় নেতাদের মধ্যেও তাঁর মতো লোক একজনও নেই৷ এ কারণে শুধু কয়েদীরাই তাকে ভক্তি ও শ্রদ্ধার চোখে দেখতো না রবং কয়েদখানার পরিচালকবৃন্দ এবং কর্মচারীরাও তাঁর ভক্তদলে শামিল হয়ে গিয়েছিল৷ বাইবেলে বলা হয়েছেঃ "কারা রক্ষক কারাস্থিত সমস্ত বন্দির ভার যোসেফের হস্তে সমর্পণ করিলেন এবং তথাকার লোকদের সমস্ত কর্ম যোসেফের আজ্ঞা অনুসারে চলিত লাগিল৷ কারারক্ষক তাঁহার হস্তগত কোন বিষয়ে দৃষ্টিপাত করিতেন না৷" (আদি পুস্তক ৩৯: ২২, ২৩)

৩৭) ইউসুফ বললো : “এখানে তোমরা যে খাবার পাও তা আসার আগেই আমি তোমাদের এ স্বপ্নগুলোর অর্থ বলে দেবো৷ আমার রব আমাকে যা দান করেছেন এ জ্ঞান তারই অন্তরভূক্ত৷ আসল ব্যাপার হচ্ছে, যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে না এবং আখেরাত অস্বীকার করে তাদের পথ পরিহার করে৷

৩৮) আমি আমার পিতৃপুরুষ ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকূবের পথ অবলম্বন করেছি৷ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা আমাদের কাজ নয়৷ আসলে এটা আমাদের এবং সমগ্র মানব জাতির প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ (যে, তিনি আমাদের তাঁর ছাড়া আর কারোর বান্দা হিসেবে তৈরী করেননি) কিন্তু অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না৷

৩৯) হে জেলখানার সাথীরা! তোমারা নিজেরাই ভেবে দেখো, ভিন্ন ভিন্ন বহু সংখ্যক রব ভালো, না এক আল্লাহ, যিনি সবার ওপর বিজয়ী৷”

৪০) তাঁকে বাদ দিয়ে তোমরা যাদের বন্দেগী করছো তারা শুধুমাত্র কতকগুলো নাম ছাড়া আর কিছুই নয়, যে নামগুলো তোমরা ও তোমাদের পিতৃ-পুরুষরা রেখেছো, আল্লাহ এগুলোর পক্ষে কোন প্রমাণ পাঠাননি৷ শাসন কর্তৃত্ব আল্লাহ ছাড়া আর কারোর নেই৷ তাঁর হুকুম- তোমরা তাঁর ছাড়া আর কারোর বন্দেগী করবে না৷ এটিই সরল সঠিক জীবন পদ্ধতি, কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না৷

৪১) হে জেলখানার সাথীরা! তোমাদের স্বপ্নের তা’বীর হচ্ছে, তোমাদের একজন তার নিজের প্রভুকে (মিসর রাজ) মদ পান করাবে আর দ্বিতীয় জনকে শূলবিদ্ধ করা হবে এবং পাখি তার মাথা ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে৷ তোমরা যে কথা জিজ্ঞেস করছিলে তার ফায়সালা হয়ে গেছে৷

৪২) আবার তাদের মধ্য থেকে যার সম্পর্কে ধারণা ছিল যে, সে মুক্তি পাবে ইউসুফ তাকে বললো : “তোমার প্রভুকে (মিসরের বাদশাহ) আমার কথা বলো৷” কিন্তু শয়তান তাকে এমন গাফেল করে দিল যে, সে তার প্রভুকে (মিসরের বাদাশাহ) তার কথা বলতে ভুলে গেলো৷ ফলে ইউসুফ কয়েক বছর কারাগারে পড়ে রইলো৷ *৩৪

*৩৪. এ আয়াতের ব্যাখ্যায় কোন কোন মুফাসসির বলেছেন, "শয়তান হযরত ইউসুফকে তাঁর রবের (অর্থাৎ আল্লাহ) স্মরণ থেকে গাফেল করে দেয় এবং তিনি এক বান্দার কাছে চান যে, সে তার রবের (মিসরের বাদশাহর) কাছে তার কথা আলোচনা করে তার কারামুক্তির চেষ্টা করুক, তাই আল্লাহ তাঁকে কয়েক বছর জেলখানা পড়ে থাকার শাস্তি দেন৷"

মূলত এটি পুরোপুরি একটি ভুল ব্যাখ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়৷ এর সঠিক ব্যাখ্যা হচ্ছে, যেমন আল্লামা ইবনে কাসীর এবং প্রথম যুগের তাফসীরকারদের মধ্যে মুজাহিদ, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইত্যাদি তাফসীরকারগণ বলেন, (আরবী) (শয়তান তাকে ভুলিয়ে দেয় তার রবের বা প্রভুর স্মরণ) এর মধ্যে "তার" বলতে সেই ব্যক্তিকে বুঝানো হয়েছে যার সম্পর্কে হযরত ইউসুফের ধারণা ছিল যে, সে মুক্তি পাবে এবং এ আয়াতের মানে হচ্ছে, "শয়তান তার প্রভুর কাছে হযরত ইউসুফের বিষয়টা উত্থাপন করার কথা ভুলিয়ে দিয়েছিল৷" এ প্রসংগে একটি হাদীসও পেশ করা হয়৷ হাদীসটিতে বলা হয়েছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ইউসুফ আলাইহিস সালাম যে কথা বলেছিলেন সে কথা যদি তিনি না বলতেন তাহলে তিনি কয়েক বছর কারাগারে আটক থাকতেন না৷" কিন্তু আল্লামা ইবনে কাসীর বলেছেনঃ "এ হাদীস যে ক'টি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে সব কটিই দুর্বল৷ কোন কোন সুত্রে এটি "মরফূ" হাদীস৷ সেখানে বর্ণনাকারী হচ্ছে সুফিয়ান ইবন ওয়াকী' ও ইবরাহীম ইবনে ইয়াযীদ৷ এরা উভয়ই অনির্ভরযোগ্য৷ আবার কোন কোন সূত্রে এটি "মুরসাল" হাদীস৷ কিন্তু এ ধরনের বিষয়ে মুরসাল হাদীসের ওপর ভরসা করা যেতে পারে না৷" এ ছাড়া একজন মজলুম ব্যক্তি নিজের মুক্তির জন্য পার্থিব পন্থা অবলম্বন করাকে আল্লাহ থেকে গাফলতির ও তাঁর প্রতি অনির্ভরশীলতার প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হবে -একথা যুক্তির দিক দিয়েও গ্রহণযোগ্য নয়৷

৪৩) একদিন বাদশাহ বললো, “আমি স্বপ্ন দেখেছি, সাতটি মোটা গাভীকে সাতটি পাতলা গাভী খেয়ে ফেলছে এবং সাতটি সবুজ শীষ ও সাতটি শুকনো শীষ৷ হে সভাসদবৃন্দ! আমাকে এ স্বপ্নের তা’বীর বলে দাও, যদি তোমরা স্বপ্নের মানে বুঝে থাকো৷”৩৭

৩৭. বাইবেল ও তালমূদের বর্ণনা মতে এ স্বপ্ন দেখার পর বাদশাহ বড়ই পেরেশান হয়ে পড়েছিলেন৷ তিনি সাধারণ ঘোষণার মাধ্যমে নিজের রাজ্যের বুদ্ধিমান ও চিন্তাশীল গোষ্ঠী, জ্যোতিষী, গণক, দর্মীয় নেতা ও যাদুকরদের একত্র করে তাদের সবার সামনে এ স্বপ্ন পেশ করেছিলেন৷

৪৪) লোকেরা বললা, “এসব তো অর্থহীন স্বপ্ন, আর আমরা এ ধরনের স্বপ্নের মানে জানি না৷”

৪৫) সেই দু’জন কয়েদীর মধ্য থেকে যে বেঁচে গিয়েছিল এবং দীর্ঘকাল পরে এখন যার মনে পড়েছিল, সে বললো, “আমি আপনাদের এর তা’বীর বলে দিচ্ছি, আমাকে একটু (কারাগারে ইউসুফের কাছে) পাঠিয়ে দিন৷” ৩৮

৩৮. কুরআন এখানে ঘটনার আলোচনা সংক্ষেপে সেরে দিয়েছে৷ বাইবেল ও তালমূদে এর যে বিস্তারিত বিবরণ এসেছে (বস্তুত যুক্তির আলোকে এ বিবরণই সঠিক মনে হয়৷) তা হচ্ছে এইঃ মদ পরিবেশকদের সরদার ইউসুফ আলাইহিস সালামের অবস্থা বাদশাহর কাছে বর্ণনা করে এবং এ সংগে জেলখানার তাদের স্বপ্ন এবং হযরত ইউসুফ (আ) তার যে তা'বীর করেছিলেন আর এ তা'বীর যেভাবে সত্য প্রমাণিত হয়েছে তা সবই তার সামনে তুলে ধরে৷ শেষে সে বাদাশাহর কাছে আবেদন করে, আমি জেলখানায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে এর তা'বীর জিজ্ঞেস করে আসবো, আমাকে সেখানে যাবার অনুমতি দেয়া হোক৷

৪৬) সে গিয়ে বললো, “হে সত্যবাদিতার প্রতীক ইউসুফ! ৩৯ আমাকে এ স্বপ্নের অর্থ বলে দাও : সাতটি মোটা গাভীকে সাতটি পাতলা গাভী খেয়ে ফেলছে এবং সাতটি শীষ সবুজ ও সাতটি শীর্ষ শুকনো সম্ভবত আমি লোকদের কাছে ফিরে যেতে পারবো এবং তারা জানতে পারবে৷৪০

৪০. অর্থাৎ তারা আপনার মর্যাদা ও মূল্য বুঝতে পারবে৷ তারা অনুভব করতে পারবে কত উঁচুদরের বক্তিত্বকে তারা কোথায় আটকে রেখেছে৷ এভাবে আপনার সাথে কারাবাসের সময় আমি যে ওয়াদা করেছিলাম তা পূর্ণ করার সুযোগ আমি পেয়ে যাবো৷

৪৭) ইউসুফ বললো, “তোমরা সাত বছর পর্যন্ত লাগাতার চাষাবাদ করতে থাকবে৷ এ সময় তোমরা যে ফসল কাটবে তা থেকে সামান্য পরিমাণ তোমাদের আহারের প্রয়োজনে বের করে নেবে এবং বাদবাকি সব শীষ সমেত রেখে দেবে৷

৪৮) তারপর সাতটি বছর আসছে বড়ই কঠিন৷ এ সময়ের জন্য তোমরা যে শস্য জমা করবে তা সমস্ত এ সময়ে খেয়ে ফেলা হবে৷ যদি কিছু বেঁচে যায় তাহলে তা হবে কেবলমাত্র সেটুকুই যা তোমরা সংরক্ষণ করবে৷

৪৯) এরপর আবার এক বছর এমন আসবে যখন রহমতের বৃষ্টি ধারার মাধ্যমে মানুষের আবেদন পূর্ণ করা হবে এবং তারা রস নিংড়াবে৷” ৪১

৪১. মূল ভাষ্যে (আরবী) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে৷ এর শাব্দিক মানে হচ্ছে 'নিংড়ানো'৷ এখানে এর মাধ্যমে পরবর্তীকালের চতুরদিকের এমন শষ্য শ্যামল তরতাজা পরিবেশ বর্ণনা করাই উদ্দেশ্য যা দুর্ভিক্ষের পর রহমতের বৃষ্টিধারা ও নীলনদের জোয়ারের পানি সিঞ্চনের মাধ্যমে সৃষ্টি হবে৷ জমি ভালোভাবে পানিসিক্ত হলে তেল উৎপাদনকারী বীজ, রসাল ফল ও অন্যান্য ফলফলাদি বিপুল পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং ভালো ঘাস খাওয়ার কারণে গৃহপালিত পশুরাও প্রচুর পরিমাণে দুধ দেয়৷ হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম এ তা'বীরে শুধুমাত্র বাদশাহর স্বপ্নের অর্থ বর্ণনা করেই ক্ষান্ত থাকেননি বরং তিনি এ সংগে প্রাচুর্যের প্রথম সাত বছরে আসন্ন দুর্ভিক্ষের মোকাবিলা ও শস্য সংরক্ষণ করার জন্য কি ব্যবস্থা অবলম্বন করতে হবে তাও বলে দিয়েছেন৷ এ ছাড়াও তিনি দুর্ভিক্ষে পরে সুদিন আসার সুখবরও দিয়েছেন অথচ বাদশাহর স্বপ্নে এর কোন উল্লেখ ছিল না৷

Monday, October 18, 2010

PE ratio

Pe=price earning ratio.
ata dia actually bujhano hoi Pay Back Period.
Apni kono share a invest korle koto years ar moddhe apnar muldhon fire paben ata mean kore.

Net Asset Value

A fund's NAV fluctuates along with the value of its underlying investments. The formula for NAV is:

NAV = (Market Value of All Securities Held by Fund + Cash and Equivalent Holdings - Fund Liabilities) / Total Fund Shares Outstanding

Let's assume at the close of trading yesterday that a particular mutual fund held $10,500,000 worth of securities, $2,000,000 of cash, and $500,000 of liabilities. If the fund had 1,000,000 shares outstanding, then yesterday's NAV would be:

NAV = ($10,500,000 + $2,000,000 - $500,000) / 1,000,000 = $12.00

A fund's NAV will change daily as the value of a fund's securities, cash held, liabilities, and the number of shares outstanding fluctuate.

Saturday, October 16, 2010

How to calculate Projected Earning Growth (PEG):

It differs for every bank.. the rate of growth is not constant for any sector....... Let me give you an example :

How to calculate Projected Earning Growth (PEG):
if Bank X has last half yearly EPS of Tk. 20 and you are projecting this years half yearly of Tk. 30 then.. projected growth rate will 30-20 = 10 [out of last years 20] i.e. 50%... suppose that banks X's current PE ratio is 12.

Now we want to calculate the PEG
PEG = PE ration of Bank X / growth
= 12 / 50
= 0.24


So, here Bank X's PEG = 0.24

You can calculate Projected Earning Growth for Q1 to Q1, Half year to half year, yearly to yearly.

Best way is to calculate the Yearly to yearly EPS Growth

More than 1.25 = Overvalued

0.51 to 1.25 = Richly Valued

0.26 to 0.50 = Fairly Valued

Less than 0.25 = Undervalued

MACD AND STOCHASTIC DOUBLE CROSS System

Stochastic.

Let me start by saying that there are 3 different types of stochastic oscillators: the fast, slow, and full stochastic. All of them operate in a similar manner however when most traders refer to trading using the stochastic indicator they are referring to the slow stochastic which is going to be the focus of this lesson.

The basic premise of the stochastic is that prices tend to close in the upper end of their trading range when the financial instrument you are analyzing is in an uptrend and in the lower end of their trading range when the financial instrument that you are analyzing is in a downtrend. When prices close in the upper end of their range in an uptrend this is a sign that the momentum of the trend is strong and vice versa for a downtrend.

ALSO known as oversold (below 20) and Overbought line (above 80)

stochastic image

  • Common triggers occur when the %K line drops below 20 - the stock is considered oversold, and it is a buying signal.
  • Generally, if the %K value rises above the %D, then a buy signal is indicated by this crossover, provided the values are under 80. If they are above this value, the security is considered overbought.

stochastic bullish crossoverMACD Calculation
To bring in this oscillating indicator that fluctuates above and below zero, a simple MACD calculation is required. By subtracting the 26-day exponential moving average (EMA) of a security’s price from a 12-day moving average of its price, an oscillating indicator value comes into play. Once a trigger line (the nine-day EMA) is added, the comparison of the two creates a trading picture. If the MACD value is higher than the nine-day EMA, then it is considered a bullish moving average crossover.

It’s helpful to note that there are a few well-known ways to use the MACD:

  • Foremost is the watching for divergences or a crossover of the center line of the histogram; the MACD illustrates buy opportunities above zero and sell opportunities below.
  • Another is noting the moving average line crossovers and their relationship to the center line. (For more, see Trading The MACD Divergence.)

SO now we know

What is stochastic Bulish cross over

What is macd Buliish crossover

Now we will combine both to get accurate buy signals that will make us lot of money over long time
Identifying and Integrating Bullish Crossovers
To be able to establish how to integrate a bullish MACD crossover and a bullish stochastic crossover into a trend-confirmation strategy, the word “bullish” needs to be explained. In the simplest of terms, “bullish” refers to a strong signal for continuously rising prices. A bullish signal is what happens when a faster moving average crosses up over a slower moving average, creating market momentum and suggesting further price increases.

  • In the case of a bullish MACD, this will occur when the histogram value is above the equilibrium line, and also when the MACD line is of a greater value than the nine-day EMA, also called the “MACD signal line.”
  • The stochastic’s bullish divergence occurs when %K value passes the %D, confirming a likely price turnaround.

Crossovers In Action: Genesee & Wyoming Inc. (NYSE:GWR)
Below is an example of how and when to use a stochastic and MACD double cross.

Figure 1

Source: StockCharts.com

Note the green lines that show when these two indicators moved in sync and the near-perfect cross shown at the right-hand side of the chart.

So we will buy only when stochastic has a bullish crossover at the same time macd has a bullish crossover below zero line..

This will ensure in the midterm or long term the stock will do good and give us much gain